1. karimgazi1010@gmail.com : Abdul Karim : Abdul Karim
  2. milonyousuf0@gmail.com : Abu Yousuf : Abu Yousuf
  3. ataullaharif1988@gmail.com : Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. editor@feninews24.com : Feni News24 : Feni News24
  5. ahsanabid321@gmail.com : Staff Correspondent : Staff Correspondent
  6. fuhadhello1@gmail.com : Fahad Bhuiyan : Fahad Bhuiyan
  7. hayatullahrafy@gmail.com : Hayat Ullah : Hayat Ullah
  8. jhshawon40@gmail.com : Jahidul Hassan : Jahidul Hassan
  9. kamalhossain12794@gmail.com : Kamal Hossain : Kamal Hossain
  10. mdabid9697@gmail.com : Md Abid : Md Abid
  11. Morshedbd90.mm@gmail.com : Morshed Hamdan : Morshed Hamdan
  12. uddinnazim126@gmail.com : Nazim Uddin : Nazim Uddin
  13. mdparvezbhuyan2020@gmail.com : Parvez Bhuiyan : Parvez Bhuiyan
  14. payarahmedbablu2020@gmail.com : Payar Ahmed Bablu : Payar Ahmed Bablu
  15. mohammedsharid@gmail.com : Mohammed Sharid : Mohammed Sharid
  16. uddinmisbah912@gmail.com : Misbah Uddin : Misbah Uddin
শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন

নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও অপুকে বিয়ে করলো লিজা

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০
  • ৩৪৭ বার

আহসান আবিদঃ
নরসিংদীর মধ্যবিত্ত পরিবারের সামসুল আলম অপু। উত্তম স্বভাবের একজন মানুষ জার্মানিতে যার কর্মস্থল। সেখানেরই এক তরুনী জেনিফার (লিজা), অপুকে তার ভালো লেগে যায়, কিছুদিন যেতেই কালো মেঘে ছেয়ে যায় ওদের জীবন, ঠিক সিনেমার মতো।
অপুর ব্রেইন টিউমার.!

লিজা জেনে যায় অপু হয়তো আর বেশিদিন বাঁচবেনা। লিজা কষ্ট পায় কিন্তু ভেঙ্গে পড়েন নি,
অপু অন্ধ হয়ে যায়, লিজা ছায়ার মতো অপুর সেবায় রাতদিন ২৪ ঘন্টা নিয়জিত থাকতো। এবং সে অপুকে ছাড়তে চাচ্ছিল না, লিজা সিন্ধান্ত নেয় অপুকে বিয়ে করার ডাক্তার বল্লো তার সময় বেশি হলে ৩ মাস লিজা বল্লো ওর শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত এক সাথে থাকতে চায়।

লিজা ছিলো অন্য ধর্মের সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে রাজি হয়ে যায় এবং তারা বিয়ে করে ইসলামিক শরীয়ত মতে। অপু অন্ধ হওয়ায় কিছুই করতে পারতো না, লিজা অপুর সবকাজ করতো কোনো সহকারী ছাড়াই তার উক্তি ছিলো স্বামীর সেবা লিজা ই তো করবে।

তিনমাস যেতেই কিছুদিন পর পৃথিবীর মায়া ত্যগ করে অপু চলে যায় না ফেরার দেশে
অপু চলে যাওয়ার পর জেনিফার চলে যায় অপুর গ্রামে, অপুর পরিবার তাকে আপন করে নেয়।

ইসলামের বিধান মেনে লিজা পরিবারের একজন হয়ে যায় (অপু ইসলাম সম্পর্কে সবকিছু শিখিয়ে ছিল)। অপুর মা এবং পরিবারে সবাই লিজাকে দেখে অবাক হয় তাকে কাছে টেনে নেয় হারানো ছেলেকে লিজার মধ্যে খুঁজে পায় তারা।

বর্তমানে লিজা অপুর স্মৃতিকে আকড়ে ধরে অপুর গ্রামের বাড়িতে আছে, মানিয়ে নিয়েছে নিজেকে(কোরআন পাঠ করা ও শিখেছে লিজা তার স্বামীর জন্য পাঠ করে আল্লাহর কাছে দোয়া চায়)।

এটাই হয়তো আসল ভালোবাসা যা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়।

সম্মান বেড়ে গেলো জেনিফার এর মতো মেয়েদের প্রতি যে,
টাকা পয়সার মায়া ত্যাগ করে ভালোবাসার স্মৃতি নিয়ে বাঁচতে চেয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2020

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

Theme Downlaod From ThemesBazar.Com